বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর আশুলিয়া থানার শ্রমিক দলের সভাপতি আবিদুর রহমান পাষাণ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনসার আলী নেতৃত্বে কাজ করছে শ্রমিক দল গ্রামীণ সড়ক থেকে মহাসড়কে ওঠার সময় ট্রাকচাপায় তিন কিশোর–তরুণ নিহত বাইপাইলে যানজট নিরসন কমিটির অফিস উদ্বোধন; অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে সালাউদ্দিন বাবুর কঠোর নির্দেশনা টোকাই সিয়ামের নিয়ন্ত্রণে গাজীরচট – কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে নাজেহাল মানুষ আশুলিয়া থানার নতুন ওসি হিসেবে তরিকুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ সর্বস্তরের অভিনন্দন! আশুলিয়ায় বাইপাইল বিএনসিসি সড়ক হকারদের দখলে: যানজট ও দুর্ঘটনায় নাকাল পথচারীরা আশুলিয়ায় ডিবি চালক রোমানের বিরুদ্ধে ‘মাদক বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জনমনে ক্ষোভ সীমান্ত দিয়ে আসছে মাদক, মোবাইলে চলছে জুয়া; ধরাছোঁয়ার বাইরে গডফাদাররা ঘোড়াঘাটের ন্যাশনাল বিদ্যাপীঠের নবীন বরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন

​আশুলিয়ায় ট্রাক ইউনিয়নের ‘পাল্টাপাল্টি’ কমিটি: বিভ্রান্তিতে সাধারণ শ্রমিকরা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার আশুলিয়ায় বাংলাদেশ আন্তঃজিলা ট্রাক কভার্ডভ্যান মিনিট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়নের বাইপাইল (পূর্ব) শাখা কমিটির দুইটি কাগজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই দুই কমিটির কোনটি বৈধ তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা।

 

কমিটি দুইটির নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ আন্তঃজিলা ট্রাক কভার্ডভ্যান মিনিট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মো. ইয়াসিন মীরকে সভাপতি এবং মো. আবু জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক করে বাইপাইল পূর্ব শাখার কার্যকরী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যেখানে স্বাক্ষর করেছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ কফিল উদ্দিন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুস সাত্তার।

 

অন্যদিকে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবর বাংলাদেশ আন্তঃজিলা ট্রাক কভার্ডভ্যান মিনিট্রাক চালক শ্রমিক ইউনিয়নের বাইপাইল (পূর্ব) শাখা কমিটির অনুমোদন করে একটি চিঠিতে ইস্যু করা হয়। যেখানে আগের কমিটি বাতিল করে মো. সোহেল আহম্মেদ লিটনকে সভাপতি ও মো. সোহাগ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। সেই কাগজে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন একক ভাবে দু্টি স্বাক্ষর করেছেন। তবে কেন্দ্রীয় সভাপতির কার্যালয় থেকে লিটন-সোহাগের এই কাগজটিকে ‘ভুয়া’ বলে দাবি করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি স্বাক্ষরিত বাইপাইল শাখার অনুমোদিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু জুয়েল বলেন, আমি এই শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। ২০০৯ সালে আমি প্রথম কমিটি আনি এবং তিন বছর চালানোর পর ফ্যাসিস্ট সরকারের লোকজন আমাকে জোরপূর্বক তাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর আমি এলাকায় আসতে পারিনি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমাকে ফোন দিয়ে গ্রাম থেকে ডেকে আনেন এবং ইয়াসিন মীরকে সভাপতি ও আমাকে সাধারণ সম্পাদক করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেন।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাদের কার্যক্রম যখন ঠিকঠাক চলছিল, হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখি লিটন ও সোহাগের নামে আরেকটি কমিটির কাগজ ভাসছে। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও মিথ্যা। তারা টাকার বিনিময়ে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছ থেকে এই অবৈধ কাগজ এনে আমাদের কাজে বাধা সৃ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102